প্রোবায়োটিকস IBS (Irritable Bowel Syndrome) বা হজম সমস্যার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

প্রোবায়োটিক-খাবার-কীভাবে-IBS-নিয়ন্ত্রণে-সাহায্য-করে.webp

IBS হল এমন একটি অবস্থা যেখানে অন্ত্রের চলাচল ও হজম প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, যার ফলে পেট ফাঁপা, গ্যাস, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো লক্ষণ দেখা যায়। প্রবায়োটিকস হলো উপকারী ব্যাকটেরিয়া, যা অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখে এবং হজমের কার্যক্রমকে উন্নত করতে সাহায্য করে।

 

প্রবায়োটিকের গুরুত্ব:

  1. অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্য বজায় রাখা: IBS রোগীদের অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া ভারসাম্যহীন হতে পারে। প্রবায়োটিকস অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে সহায়ক হয়।
  2. প্রদাহ কমানো: কিছু প্রবায়োটিকস অন্ত্রের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, যা IBS-এর একটি সাধারণ কারণ।
  3. ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণ: প্রবায়োটিকস অন্ত্রের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, যা IBS রোগীদের মধ্যে ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  4. পেটের ব্যথা ও অস্বস্তি কমানো: প্রবায়োটিকস অন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করে, ফলে পেটের ব্যথা ও ফাঁপার সমস্যা কমে আসে।
  5. ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি: প্রবায়োটিকস শুধু হজমের জন্যই উপকারী নয়, এটি শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে, যা অন্ত্রের সমস্যাগুলোকে দ্রুত নিরাময়ে সাহায্য করে।

প্রবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার যেমন দই, কেফির, মিসো স্যুপ, কিমচি ইত্যাদি IBS-এর লক্ষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর হতে পারে। তবে যে কোনো প্রবায়োটিক ব্যবহারের আগে ডাক্তার বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ।

আপনার কী এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানার আগ্রহ আছে, অথবা কোনো নির্দিষ্ট প্রবায়োটিক পণ্য সম্পর্কে জানতে চান?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *