Faceboo
–
**অন্ত্রের স্নায়ুতন্ত্রের সংবেদনশীলতা**:
আইবিএস রোগীদের অন্ত্র সাধারণের তুলনায় বেশি সংবেদনশীল হয়, যা খাবার গ্রহণের পর অন্ত্রের মুভমেন্টকে অস্বাভাবিকভাবে ত্বরান্বিত করতে পারে।
–
**স্ট্রেস ও মানসিক চাপ**: মানসিক চাপ বা উদ্বেগ আইবিএস রোগীদের অন্ত্রের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে এবং ডায়রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
– **খাদ্য সংবেদনশীলতা**: নির্দিষ্ট কিছু খাবার যেমন দুগ্ধজাত পণ্য, চিনি, বা গ্লুটেন অন্ত্রকে উত্তেজিত করে এবং আইবিএস উপসর্গ বৃদ্ধি করতে পারে।
আইবিএস-এর কারণে হওয়া পাতলা নরম আমাশা নিয়ন্ত্রণে কিছু ঘরোয়া উপায় নিচে দেওয়া হলো:
ফাইবার অন্ত্রের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। তবে, আইবিএস রোগীদের ক্ষেত্রে সলিউবল ফাইবার (যেমন আপেল, গাজর) বেশি উপকারী হতে পারে। এই ধরনের ফাইবার অন্ত্রের পানি শোষণ করে এবং মলকে শক্ত করতে সহায়তা করে।
প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার (যেমন টকদই, কেফির) অন্ত্রের স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক। এটি আইবিএস-এর উপসর্গ কমাতে সাহায্য করতে পারে।
পুদিনা পাতার মেন্থল উপাদান অন্ত্রের মাংসপেশিকে শিথিল করতে সাহায্য করে, যা পেট ব্যথা ও ডায়রিয়া কমাতে কার্যকর হতে পারে। এক কাপ গরম পানিতে পুদিনা পাতা ফেলে কয়েক মিনিট রেখে চা তৈরি করে দিনে ২-৩ বার পান করতে পারেন।
আদা হজমে সহায়ক এবং অন্ত্রের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। আদা চা বানিয়ে দিনে ২ বার পান করতে পারেন।
ডায়রিয়ার সময় শরীর থেকে প্রচুর পানি ও ইলেক্ট্রোলাইট বেরিয়ে যায়। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন এবং সাথে এক চিমটি লবণ ও চিনি মিশিয়ে ইলেক্ট্রোলাইট পুনরুদ্ধার করতে পারেন।
যোগব্যায়াম, ধ্যান বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম স্ট্রেস কমাতে সহায়ক, যা আইবিএসের উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।
ফ্ল্যাক্সসিড বা তিসি বীজ অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক। এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য ডায়রিয়ার উপশমে সহায়ক হতে পারে। এক চামচ ফ্ল্যাক্সসিড এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খেলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে।