1.তিলের পানি পান করা:
উপকারিতা: তিলের বীজ হজম শক্তি বাড়ায়, প্রদাহ কমায়, এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। এতে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড মল নরম করতে সাহায্য করে।
খাওয়ার নিয়ম: এক চা চামচ তিল এক গ্লাস পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে এই পানি পান করুন।
2.অ্যালোভেরা জেল:
উপকারিতা: অ্যালোভেরা হজমে সহায়ক, প্রদাহ কমায় এবং অন্ত্রের সুরক্ষা বাড়ায়। এটি IBS-এর মলাশয়ের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
খাওয়ার নিয়ম: সকালে এক চামচ অ্যালোভেরা জেল সরাসরি খেতে পারেন বা পানির সাথে মিশিয়ে পান করতে পারেন।
3.স্টিম শ্বাস নেওয়া (Steam Inhalation):
উপকারিতা: বাষ্প শ্বাস নেওয়া শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে, গ্যাস্ট্রিক কমায়, এবং অন্ত্রের প্রদাহ হ্রাস করে।
প্রয়োগের নিয়ম: প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট গরম পানির বাষ্প শ্বাস নিন। এটি শ্বাসনালী খুলতে এবং হজম প্রক্রিয়া সহজ করতে সহায়ক।
4.বিভিন্ন রঙের সবজি খাওয়া:
উপকারিতা: রঙিন সবজিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, এবং মিনারেল থাকে যা অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, প্রদাহ কমায় এবং হজমে সহায়তা করে।
খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় লাল, হলুদ, সবুজ এবং কমলা রঙের সবজি (যেমন গাজর, বিট, ক্যাপসিকাম) যুক্ত করুন। এসব সবজি সেদ্ধ বা হালকা ভাপে রান্না করে খাওয়া ভালো।
5.মৌরি (ফেনেলের বীজ) চিবানো:
উপকারিতা: মৌরি হজমে সহায়ক, পেটের গ্যাস কমায় এবং প্রদাহ হ্রাস করে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইটোকেমিক্যাল অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
খাওয়ার নিয়ম: প্রতিবার খাবার শেষে এক চা চামচ মৌরি চিবিয়ে খেতে পারেন।
![]()
এই গাইডলাইন IBS সমস্যার জন্য নতুন কৌশল এবং খাদ্যাভ্যাসের পরামর্শ দেয়, যা হজম সমস্যা উন্নত করতে সাহায্য করবে।