গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের মান খারাপ হলে IBS এর উপসর্গ অনেকটাই বেড়ে যায়।
ঘুমের গুরুত্ব IBS রোগীর জন্য স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
IBS মূলত স্ট্রেস ও মানসিক চাপের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। পর্যাপ্ত ও ভালো মানের ঘুম মানসিক চাপ কমায়, ফলে উপসর্গ হালকা হয়।
আন্ত্রিক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলে
ঘুমের অভাব অন্ত্রের নড়াচড়া (motility) ও সংবেদনশীলতা বাড়ায়, ফলে ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য বা পেটফাঁপা বেড়ে যেতে পারে।
ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী রাখে
IBS রোগীদের অনেক সময় ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে। ভালো ঘুম ইমিউন প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে, প্রদাহ (inflammation) কমায়।
হরমোন ও মাইক্রোবায়োমে প্রভাব ফেলে
পর্যাপ্ত ঘুম না হলে কর্টিসলসহ (stress hormone) বিভিন্ন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমে (gut bacteria) পরিবর্তন ঘটে, যা IBS কে খারাপ করে।
গবেষণায় প্রমাণ
IBS রোগীদের প্রায় ৫০–৭০% ঘুমের সমস্যা (অনিদ্রা, হালকা ঘুম, বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া) থাকে।
খারাপ ঘুমের পরের দিন তাদের পেটব্যথা, ডায়রিয়া, গ্যাস বা অস্বস্তি অনেক বেশি দেখা যায়।
IBS রোগীদের ঘুম উন্নত করার উপায়
প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও উঠা।
ঘুমের আগে মোবাইল/টিভি এড়িয়ে চলা।
ক্যাফেইন (চা, কফি, কোলা) ও অতিরিক্ত মশলাদার খাবার রাতে না খাওয়া।
হালকা ব্যায়াম ও শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম (deep breathing/meditation) করা।
শোবার ঘরে শান্ত ও আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করা।
